• ২০২৬ এপ্রিল ১৭, শুক্রবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ৪
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

এ যেন " ছুটির ঘন্টা "সিনেমার গল্প বাস্তবে রুপ নিল। মেহেরপুরে স্কুলের বাথরুমে এক ঘণ্টা আটকা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

  • প্রকাশিত ১০:০৪ পূর্বাহ্ন শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬
এ যেন " ছুটির ঘন্টা "সিনেমার গল্প বাস্তবে  রুপ নিল। মেহেরপুরে  স্কুলের বাথরুমে এক ঘণ্টা আটকা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। টাইম বাংলা নিউজ ডেস্ক।

এ যেন " ছুটির ঘন্টা "সিনেমার গল্প বাস্তবে  রুপ নিল। মেহেরপুরে স্কুলের বাথরুমে এক ঘণ্টা আটকা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। 

মেহেরপুর শহরের বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটির পর বাথরুমের ভেতরে এক শিক্ষার্থীকে তালাবদ্ধ অবস্থায় রেখে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টা আটকে থাকার পর স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী সাদিয়া (৮) ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী এবং শহরের স্টেডিয়াম পাড়ার মনিরুল ইসলামের মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকাল প্রায় ৪টার দিকে স্কুল ছুটি হলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা ভবন তালাবদ্ধ করে চলে যান। এ সময় সাদিয়া বাথরুমে থাকায় বিষয়টি কারও নজরে আসেনি। স্কুল ভবনের মূল ফটক ও কলাপসিবল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় সে ভেতরে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় অন্ধকারে একা থেকে ভয় পেয়ে চিৎকার ও কান্না শুরু করে শিশুটি। পরে পথচারীরা কান্নার শব্দ শুনে এগিয়ে এসে বিষয়টি বুঝতে পারেন।

নির্ধারিত সময়ে মেয়ে বাড়ি না ফেরায় বাবা মনিরুল ইসলাম স্কুলে খোঁজ নিতে এসে ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে শিক্ষিকা লিনা ভট্টাচার্য চাবি নিয়ে এসে তালা খুলে শিশুটিকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোবিনা খানম বলেন, ছুটির পর সবার অজান্তে সাদিয়া দোতলার একটি কক্ষে চলে যায় এবং পরে বাথরুমে আটকা পড়ে। বিষয়টি কেউ খেয়াল করতে পারেনি। তিনি আরও জানান, স্কুলটি বাজারের পাশে হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে ছুটির পর ভবন তালাবদ্ধ রাখা হয়।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে রাতে মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খায়রুল ইসলাম বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান। তিনি ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনও জানান, একটি ছোট শিশুর এভাবে বিদ্যালয়ের ভেতরে তালাবদ্ধ হয়ে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। যদিও শিশুটি সুস্থভাবে উদ্ধার হয়েছে, তবুও সংশ্লিষ্টদের কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ